A site of physics, where students who are interested in physics they can find so many interesting problems of physics and answer also.
 
HomeHome  CalendarCalendar  FAQFAQ  SearchSearch  MemberlistMemberlist  UsergroupsUsergroups  RegisterRegister  Log inLog in  

Share | 
 

 Your first subject

View previous topic View next topic Go down 
AuthorMessage
TUSHAR9797
Admin


Posts : 5
Join date : 2015-11-10
Age : 18

PostSubject: Your first subject   Tue Nov 10, 2015 6:58 pm

Take some time to read this information before starting to use the administration of your forum:

How to access your administration panel ?
In the top menu, click on Log In, a new page is displayed. Fill in the username "admin" and the password you have choosen during your registration. If you have lost or forgot it, click here. Once you are logged in, click on the link "Administration Panel" at the bottom of the page.

How to modify your board's appearance ?
You can modify your board's appearance by choosing a theme (each theme displays different pictures, colors and icons). To do that, go to the administration panel, then click on Management in the Styles Admin menu and choose one of the displayed themes. You can later change it or choose another one.

How to manage the categories and forums ?
You can add, modify and delete the categories and forums that you have created anytime and without limit. To do that, go to the administration panel, in the management part of the Forum Admin, and click on "Add a link" (a forum or a category). In a first time, we advice you to create test categories and test forums that you will delete later, in order to understand how this tool works.
Back to top Go down
View user profile http://ilovphy.your-talk.com
TUSHAR9797
Admin


Posts : 5
Join date : 2015-11-10
Age : 18

PostSubject: Re: Your first subject   Tue Nov 10, 2015 7:54 pm

"একটি মহাগ্রন্থ লিখছি । তাই বলে, আমি কিন্তু লেখক নই; কবি নই । তবুও প্রতিনিয়ত তাতে যুক্ত করছি নানান শৈল্পিক উপাদান । নাটক, কাব্য, উপন্যাস , ছোটগল্প ইত্যাদি সবই আছে এর মাঝে । বিরামহীন ভাবে লিখে যাচ্ছি ; ১ সেকেন্ড-ও অপচয় করিনি । ফিকশন, ট্র্যাজিডি সবই আছে , তবে তা অন্য কোন কিছুর অনুকল্প নয় । সবই নূতন ,বাস্তব । লাখো চরিত্রের কল্যাণে লিখে যাওয়া এই মহাগ্রন্থের নায়ক তো আর কেউ নয় আমিই ।"

আমাদের প্রতিটি জীবনই একেকটা মহাগ্রন্থ যা অনাদিকাল থেকে লিখে যাচ্ছি । কি ধৈর্য আমাদের, ১ সেকেন্ড-ও কেউ অপচয় করিনি । লিখছি তো লিখছি-ই । হাজার হাজার চরিত্রের মধ্যে বারবার নিজেকে ফুটিয়ে তুলছি, কিছু না কিছু প্রমাণ করবার চেষ্টা করছি । কিন্তু কেন করছি তা তো জানি না ।

তো নিজেই যখন এতো উপন্যাস, নাটক লিখছি তাহলে আলাদা করে এসব পড়ার, দেখার কি দরকার । নিজেরটাই আগে লিখে শেষ করি ; অতঃপর........... ...............

Back to top Go down
View user profile http://ilovphy.your-talk.com
TUSHAR9797
Admin


Posts : 5
Join date : 2015-11-10
Age : 18

PostSubject: Re: Your first subject   Tue May 24, 2016 3:48 pm

বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন একবার আপেক্ষিকতা তত্ত্বকে সাধারণের কাছে সহজবোধ্য করার জন্য বেশ মজার একটি উদাহরণ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন-“আমি যদি একজন সুন্দরী রমণীর সামনে ৫ ঘণ্টা ধরে বসে থাকি, তবে আমার মনে হবে যেন আমি মাত্র ৫ মিনিট ধরে বসে আছি। কিন্তু যদি একটি জ্বলন্ত উনুনের সামনে আমি ৫ মিনিটও বসে থাকি, তাহলে আমার মনে হবে যেন আমি অনন্তকাল ধরে বসে আছি!” অতএব, সময় পরম বা ধ্রুব নয়, সময় হচ্ছে আপেক্ষিক।
আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ হচ্ছে বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্ব(Special Theory of Relativity)। বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে কেবল পরস্পরের সাপেক্ষে সমান বেগে গতিশীল বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এই তত্ত্ব দুইটি স্বীকার্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত-
১। পদার্থবিজ্ঞানের সুত্রসমূহ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে একই রূপে বলবৎ থাকবে।
২।আলোর গতিবেগ সকল জড় প্রসঙ্গ কাঠামোতে একই রূপে বলবৎ থাকবে।
প্রকৃতপক্ষে সমস্ত বিশ্বসংসারে পরম বলতে কিছুই নেই, যা কিছুকে আমরা পরম বলে মনে করি, তা আপাতদৃষ্টিতে পরম বা ধ্রুব। কিন্তু সত্যিকার অর্থে বিশ্বের সবকিছুই আপেক্ষিক। গতি এবং স্থিতির কথাই ধরা যাক। যখন আমরা দেখি একটা ট্রেন তার গন্তব্যের দিকে ছুটে যাচ্ছে, তখন আমরা বলি ট্রেনটি গতিশীল। আবার যখন আমরা দেখি যে একটা ট্রেন তার জায়গাতে ঠায় দাড়িয়ে আছে, তখন আমরা বলি যে ট্রেনটি স্থির। কিন্তু কেন? কীভাবে?? আমরা কীভাবে বুঝতে পারি যে ট্রেনটি গতিশীল নাকি স্থির? আমরা বুঝতে পারি, কারণ আমরা পারিপার্শ্বিকের সাপেক্ষে ট্রেনের অবস্থা বিবেচনা করি। ট্রেনের আশেপাশে কোনো একটি প্রসঙ্গ বস্তুর সাপেক্ষে যদি ট্রেনটি তার অবস্থান পরিবর্তন করে, তবে বলা যায় যে ট্রেনটি ঐ প্রসঙ্গ বস্তুর সাপেক্ষে গতিশীল। আমরা যখন একটি ট্রেনকে দেখি, তখন নিজেদের অবস্থানের সাপেক্ষে ট্রেনটির অবস্থান বিবেচনা করি। ধরা যাক, পাশাপাশি দুটি ট্রেন T1 এবং T2 দাড়িয়ে দাড়িয়ে আছে। কোনো একটি ট্রেনকে প্রসঙ্গ কাঠামো ধরে নিলেই বোঝা যাবে যে একটি ট্রেনের সাপেক্ষে অপরটি স্থির। এখন T1 ট্রেনটি চলতে শুরু করলে উভয় ট্রেনের যাত্রীরাই দেখতে পাবে যে একটি ট্রেন অপর ট্রেন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। T2 এর যাত্রীরা দেখতে পাবে যে T1 দূরে সরে যাচ্ছে, তখন তাদের সাপেক্ষে T1 গতিশীল। আবার চলমান T1 এর যাত্রীরা দেখতে পাবে যে T2 দূরে সরে যাচ্ছে, এক্ষেত্রে তাদের সাপেক্ষে T2 গতিশীল। কিন্তু স্টেশনে দাড়ানো একজন লোক দেখতে পাবে, T1 স্টেশন ছেড়ে চলে যাচ্ছে, আর T2 তার জায়গায় ঠায় দাড়িয়ে আছে। সুতরাং তার সাপেক্ষে T1 গতিশীল এবং T2 স্থির। আবার, T1 এবং T2 যদি সমান বেগে পাশপাশি চলতে শুরু করে, তবে সময়ের সাথে একটির সাপেক্ষে অন্যটির অবস্থান তথা একটি থেকে অন্যটির দূরত্বের কোনো পরিবর্তন হবে না, ট্রেনদ্বয় সমান বেগে গতিশীল থাকায় একটি ট্রেনের সাপেক্ষে অপর ট্রেনটিকে স্থির দেখাবে। কিন্তু স্টেশনে দাড়ানো লোকটির সাপেক্ষে উভয় ট্রেনই গতিশীল। এখানে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান থেকে ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য দেখা যাচ্ছে, কিন্তু মজার ব্যাপার হল কোনোটাই ভুল বা মিথ্যে নয়। এ থেকে এটাই প্রমাণিত হয় যে স্থান, গতি বা স্থিতি কোনোটাই পরম বা ধ্রুবক নয়, আপেক্ষিক।
ধরা যাক, একজন ব্যক্তি স্থির অবস্থানে দাড়িয়ে ঘড়িতে সময় দেখছে, আর অন্য একজন ব্যক্তি তার চলন্ত অবস্থায় ঘড়ি দেখছে। চলন্ত পর্যবেক্ষকের ঘড়ি, স্থির পর্যবেক্ষকের ঘড়ির চেয়ে ধীরেধীরে টিক্ পরিমাপ করে। কেননা গতিশীল অবস্থায় সময়ের প্রসারণ ঘটে। এর কারণ সাধারণভাবে ঘড়ির কাটার সাপেক্ষে পর্যবেক্ষকের অবস্থানের পরিবর্তন দ্রুত ঘটে। ফলে ঘড়ির কাটা পর্যবেক্ষকের চলার গতি অপেক্ষা ধীরগতিতে টিক দেয়। তাই তার হিসেবে সময়ের গতি তার চলার গতি অপেক্ষা কম হয়। অর্থাৎ সময়ও আপেক্ষিকতা তত্ত্ব মেনে চলে।
নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে ভরকে শক্তিতে রূপান্তর....সুতরাং আপেক্ষিক তত্ত্ব অনুযায়ী স্থান(space), কাল(time) ও ভর(mass)- কোনোটিই পরম বা ধ্রুবক নয়। স্থান আর কাল বা সময়ের আপেক্ষিকতার ব্যাপারটা সবাই মেনে নিলেও ভরের আপেক্ষিকতার কথায় হয়তবা অনেকেই ভ্রু কুচকে ফেলবেন। অনেকেই হয়ত প্রশ্ন করবেন, “এ আবার কেমন কথা? ভর ধ্রুবক না তো কী?? ভর কী পরিবর্তন হয় নাকি?” হ্যা, ভরও আসলে ধ্রুবক নয়, আপেক্ষিক। ভর হচ্ছে কোনো বস্তুতে মোট পদার্থের পরিমাণ। একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পদার্থে নির্দিষ্ট পরিমাণ শক্তি পুন্ঞ্জীভূত থাকে। কোনো পদার্থের নির্দিষ্ট পরিমাণ ভরে শক্তির(E) পরিমাণ হচ্ছে পদার্থের ঐ ভর(m) এবং আলোর বেগ(c)-এর বর্গের গুণফলের সমান, অর্থাৎ E=mc^2। আইনস্টাইনের এই সমীকরণটি ভর এবং শক্তির একটি চমৎকার সম্পর্ক নির্দেশ করে। এ থেকে বোঝা যায় যে ভর এবং শক্তি প্রকৃতপক্ষে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। অর্থাৎ কোনো পদার্থের ভরকে শক্তিতে রূপান্তর করা যায়, আবার শক্তিকেও ভরে রূপান্তর করা যায়। এই তত্ত্বকে কাজে লাগিয়েই তৈরি করা হয়েছে নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর(Neuclear Reactor)। নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টরে কোনো বড় পরমাণু যেমন ইউরেনিয়াম-২৩৫কে একটি নিউট্রন দ্বারা আঘাত করে পরমাণুটিকে ভেঙে ফেলা হয় এবং তার কিছুটা ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে বেরিয়ে আসে। আর অবশিষ্ট ভর নতুন পরমাণু সৃষ্টি করে। ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হবার সবচাইতে পরিচিত এবং বেদনাদায়ক উদাহরণটি হল হিরোশিমা-নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৮ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেলা পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা। পারমাণবিক বোমায় তেজস্ক্রীয় পরমাণু যেমন ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের পরমাণুকে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করে পরমাণুর ভরকে শক্তিতে পরিণত করা হয়। অতএব ভর এবং শক্তি উভয়ই আপেক্ষিক তত্ত্ব মেনে চলে, এরা পরস্পর সমতূল্য।
এখন কেউ কী বলতে পারবে, এই পৃথিবীতে পরম বলতে আসলেই কিছু আছে কিনা?
Back to top Go down
View user profile http://ilovphy.your-talk.com
TUSHAR9797
Admin


Posts : 5
Join date : 2015-11-10
Age : 18

PostSubject: Re: Your first subject   Tue May 24, 2016 3:49 pm

বিজ্ঞান মানেই যুক্তিতর্ক, গবেষণা। আর গবেষণা মানেই রহস্য, সেই রহস্যের সমাধান, এবং তার চুলচেরা বিশ্লেষণ। আর বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখাগুলো পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, সবচাইতে রহস্যময় বিজ্ঞান হচ্ছে পদার্থবিজ্ঞান। পদার্থবিজ্ঞানের অনেক রহস্য আজও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।
Untitledপদার্থবিজ্ঞানের যে বিষয়টি নিয়ে এখানে আলোচনা করা হচ্ছে, তা হল পদার্থ(Particle) এবং প্রতি-পদার্থ(Anti-Particle)। পদার্থবিজ্ঞানী পল ডিরাক ইলেক্ট্রনের জন্য কোয়ান্টাম মেকানিক্স ব্যবহার করতে গিয়ে সেখানে আইনস্টাইনের থিওরী অব রিলেটিভিটি ব্যবহার করে ১৯৩১ সালে সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রনের প্রতি-পদার্থের অস্তিত্বের কথা ধারণা করেছিলেন। তিনি ইলেক্ট্রনের এ প্রতি-পদার্থের নাম দেন “পজিট্রন”। এবং এর পরের বছর ১৯৩২ সালে কার্ল এন্ডারসন পজিট্রন আবিষ্কার করেন, এবং পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে পল ডিরাকের অনুমানই সত্যি। ইলেক্ট্রন আর পজিট্রন পরস্পরের সংস্পর্শে আসা মাত্রই একে অপরকে ধ্বংস করে দেয় এবং তাদের সমস্ত ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে যায়। আর এই শক্তির পরিমাণ হচ্ছে E=mc^2।
আমরা জানি, আমাদের চারপাশের দৃশ্যমান জগৎ যা কিছু নিয়ে তৈরি, তার সবকিছুই সৃষ্টি হয়েছে ইলেক্ট্রন, প্রোটন এবং নিউট্রন দিয়ে। ইলেক্ট্রনের প্রতি পদার্থ যেমন পজিট্রন, ঠিক তেমনি প্রোটন এবং নিউট্রনেরও প্রতি পদার্থ রয়েছে, যাদের নাম যথাক্রমে এন্টি-প্রোটন এবং এন্টি-নিউট্রন। উল্লেখ্য, ইলেক্ট্রন মৌলিক কণা হলেও প্রোটন আর নিউট্রন কিন্তু মৌলিক কণা নয়। বিগব্যাং নামক যে মহাবিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছিল, সেই বিস্ফোরণের ফলে ১২ টি মৌলিক কণা ও তাদের প্রতি-কণা সৃষ্টি হয়েছিল। এই কণাগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়- কোয়ার্ক এবং লেপ্টন। ইলেক্ট্রন হচ্ছে লেপ্টন শ্রেণীভুক্ত। আর প্রোটন তৈরি হয় দুইটি আপ কোয়ার্ক এবং একটি ডাউন কোয়ার্ক নিয়ে। আবার নিউট্র্ন তৈরি হয় একটি আপ কোয়ার্ক এবং দুইটি ডাউন কোয়ার্ক নিয়ে। সুতরাং আমাদের দৃশ্যমান জগৎ সৃষ্টি হয়েছে তিনটি মৌলিক কণিকা ইলেক্ট্রন, আপ কোয়ার্ক এবং ডাউন কোয়ার্ক নিয়ে।
কিন্তু এখানে একটা খটকা থেকেই যাচ্ছে! যদি বিগ ব্যাঙ এর সময় এই ১২ টি মৌলিক কণিকা এবং একই সাথে তাদের প্রতি-কণা সৃষ্টি হয়ে থাকে, তবে তো ইলেক্ট্রন, আপ কোয়ার্ক এবং ডাউন কোয়ার্কেরও অবশ্যই প্রতি-কণা রয়েছে। আর তাদের সমন্বয়ে পৃথিবীতে উপস্থিত প্রতিটি পদার্থেরই প্রতি-পদার্থ সৃষ্টি হওয়ার কথা। কিন্তু আমরা জানি, পদার্থ এবং প্রতি পদার্থ পরস্পরের সংস্পর্শে আসা মাত্রই একে অপরকে ধ্বংস করে দিয়ে আইনস্টাইনের E=mc^2 সূত্র অনুযায়ী শক্তিতে পরিণত হবে। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি যে পৃথিবী এখনো দিব্যি টিকে আছে! তবে কী সেই প্রতি-পদার্থগুলো এমন কোথাও আছে, যেখান থেকে তারা পদার্থকে প্রভাবিত করতে পারছে না? আমরা সমগ্র বিশ্বের শতকরা মাত্র ৪ ভাগ সম্বন্ধে জানি, সেই ৪ ভাগ হচ্ছে আমাদের দৃশ্যমান জগৎ। আর বাকি ৯৬ ভাগই আমাদের অজানা! এই ৯৬ ভাগ আমাদের দৃশ্যমান জগতের বহির্ভূত এক অজানা জগৎ। হয়ত প্রতি-পদার্থগুলো সেই অজানা জগতেরই কোনো এক কোণে আত্মগোপন করে রয়েছে!
প্রতি-পদার্থগুলোকে দৃশ্যমান জগতের বাইরে পাঠিয়ে দিলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলার কোনো কারণ নেই। কেননা পদার্থবিজ্ঞানের জগতে খটকা এমন এক জিনিস যাকে সাময়িকভাবে ভুলে থাকা গেলেও পুরোপুরি ফেলে দেয়া যায় না। ফেলে দিলেও পরিত্রাণ নেই, পথ চলতে হলে তাকে আবার কুড়িয়ে নিয়ে আসতে হবে। বিগ ব্যাং এর আগে পৃথিবীতে কোনো পদার্থ ছিল না, ছিল শুধু শক্তি। আর সেই শক্তি পুন্ঞ্জীভূত হতে হতে এক পর্যায়ে ঘটে মহাবিস্ফোরণ বিগ ব্যাং, এবং এর ফলে সমপরিমাণ পদার্থ ও প্রতি-পদার্থ সৃষ্টি হয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, সমপরিমাণ পদার্থ এবং প্রতি-পদার্থ যদি একই সঙ্গে সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে তো সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথেই আবার পরস্পরকে ধ্বংস করে দিয়ে পুনরায় শক্তিতে পরিণত হওয়ার কথা[এখানে লক্ষণীয়, পৃথিবীর সকল পদার্থ ও প্রতি-পদার্থ পরস্পরের সংস্পর্শে এসে একে অপরকে ধ্বংস করে দেয়ার পর যে শক্তি উৎপন্ন হবে, তার সর্বমোট পরিমাণ হবে বিগ ব্যাং এর পূর্বে যে পরিমাণ শক্তি ছিল তার সমান]! কিন্তু পৃথিবী তো কোটি কোটি বছর ধরে টিকে আছে!! তবে কী প্রতি-পদার্থের তুলনায় পদার্থ বেশি পরিমাণে সৃষ্টি হয়েছিল? তারপর সব পদার্থ এবং প্রতি-পদার্থ পরস্পরকে ধ্বংস করে দেয়ার পর বাড়তি পদার্থগুলো পৃথিবীতে রয়ে গেছে?? নাকি সৃষ্টি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই প্রতি-পদার্থগুলো কোনো এক অজানা জগতে চলে গেছে? কিন্তু কেন? কীভাবে??
সবকিছুর শেষে প্রশ্ন রয়েই যায়- কেন এবং কীভাবে?
Back to top Go down
View user profile http://ilovphy.your-talk.com
TUSHAR9797
Admin


Posts : 5
Join date : 2015-11-10
Age : 18

PostSubject: Re: Your first subject   Tue May 24, 2016 3:50 pm

আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব থেকে পদার্থবিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধি সূচীত হয়।আর সেটি হলঃশক্তি ও ভর সমতুল্য।এই উপলব্ধিটি এসেছে আইনস্টাইনের বিখ্যাত E = mc2 সূত্র থেকে।এই সূত্র অনুসারে m ভরের কোন বস্তুতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ ঐ ভরের সাথে আলোর বেগ(c) এর বর্গের গুনফল এর সমান।অর্থাৎ ১ কেজি ভরের কোন বস্তুতে সঞ্চিত শক্তির পরিমাণ ৯০০০০০০০০০০০০০০০০ জুল।এই অবিশ্বাস্য পরিমাণ শক্তি আমেরিকার মত একটি দেশের ?? দিনের বৈদ্যুতিক শক্তির যোগান দিতে পারে!
E=mc2 সমীকরণটি শক্তির সাথে ভরের একটি চমৎকার সম্পর্ক নির্দেশ করে।এটি থেকে বোঝা যায় যে, শক্তি এবং ভর আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।ভর থেকে শক্তি পাওয়া যায় এবং শক্তি থেকেও ভর পাওয়া যেতে পারে।অর্থাৎ শক্তি এবং ভর পরস্পর সমতুল্য।
ভর শক্তিতে রূপান্তরিত হবার সবচাইতে পরিচিত এবং বেদনাদায়ক উদাহরণটি হল হিরোশিমা-নাগাসাকিতে ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৮ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেলা পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা।পারমানবিক বোমাতে একটি বড় মৌলের পরমাণুকে(যেমনঃইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম) নিউট্রন দ্বারা আঘাত করে ভেঙ্গে ফেলা হয়।ফলে বড় পরমাণুটি ভেঙ্গে দুইটি নতুন পরমাণুতে বিভক্ত হয় এবং কিছু ভর পরিণত হয় শক্তিতে।
'পেয়ার প্রোডাকশন শক্তি'ও ভরে রূপান্তরের উদাহরণ।এ প্রক্রিয়ায় শক্তিশালী একটা গামা রশ্মি(যার ভর নেই কিন্তু শক্তি আছে) একটি ইলেকট্রন এবং একটি পজিট্রনে পরিণত হয়।উল্লেখ্য যে,ইলেকট্রন এবং পজিট্রন উভয়ের ভর রয়েছে।
Back to top Go down
View user profile http://ilovphy.your-talk.com
Sponsored content




PostSubject: Re: Your first subject   

Back to top Go down
 
Your first subject
View previous topic View next topic Back to top 
Page 1 of 1
 Similar topics
-
» Happy Christmas
» Pop and Drop help?
» 10th Annual Corporate Maroon Classic
» Art of War - Gladiator Tournament - 7/3 - 11AM
» sea shell tattoo

Permissions in this forum:You cannot reply to topics in this forum
I love you , physics. :: Your first category :: Your first forum-
Jump to: